না’রীরা যেসব পু’রুষকে পা’গলের মত ভালবাসতে চায়।

সময়ের সাথে সাথে বেড়ে চলেছে প্রেম করার প্রবণতাও। আর এজন্য প্রয়োজন একজনকে অন্যজনের মন জয় করা। এক্ষেত্রে পুরু’ষের মন জয় করা যতটা সোজা ততটায় যেন ক’ষ্ট না’রীর মন জয় করা। তবে কাজটা কিন্তু মোটেও কঠিন নয়। এজন্য প্রয়োজন কিছু টেকনিক।
এক নজরে দেখে নিন ৫টি টিপস যেটা মেনে চললে পছন্দের না’রী স’ঙ্গিনী পা’গলের মত ভালবাসতে চায়-১) ফি’টফাট থাকুন:না’রীরা দীর্ঘদে’হী পুরু’ষ পছন্দ করেন বটে, তবে উচ্চতাই শেষ কথা নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন।
আসল বি’ষয় হলো না’রী বুঝতে চায় আপনি নিজের যত্ন নিতে, ফি’টফাট থাকতে পারছেন কি না। তাঁরা ভাবেন, যে পুরু’ষ নিজের দেখভাল করতে পারেন না, তিনি আমার দেখভাল করবেন কী করে?

সুতরাং, আলুথালু পোশাক, এলোমেলো চুল, নখ না কা’টা বা ময়লা থাকা, মোজায় গন্ধ, ময়লা শার্ট বা জিনসের উদাসীনতার দিন শেষ। হালের না’রীরা এসব একেবারেই পছন্দ করেন না। না’রীর মন পেতে হলে এসব খামখেয়ালিপনা আজই ছাড়ুন।
২) নিজের রুচি তুলে ধরুন:
দামি ব্র্যান্ডের জামা-জুতো হতে হবে বি’ষয়টা মোটেও এমন নয়। আর যদি একটার স’ঙ্গে বেমানান আরেকটা এই ব্র্যান্ডের শার্ট, ওই ব্র্যান্ডের জুতো, সেই ব্র্যান্ডের জিনস হয় তাহলে তা আপনাকে দেখেই দৌড়ে পালাতে পারে যে কেউ। তাই সাধারণ দোকান থেকে কেনা হলেও পোশাকে-আশাকে নিজের রুচি পছন্দটা তুলে ধরুন।
আর খেয়াল রাখু’ন তা যেন আপনার শা’রীরিক গড়ন আর গায়ের রঙের স’ঙ্গে মানানসই হয়। নিজের একটা স্টাইল গড়ে তুলুন।আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি যেমন না’রীদের ‘সন্ন্যাসিনী’ সেজে থাকা পছন্দ করেন না, ঠিক তেমনি আধুনিক না’রীরাও ‘অফিস টাইপ’ পোশাকের পুরু’ষদের পছন্দ করেন না।

৩) মুখে হাসি ফোটান:
রসবোধ থাকা’টা যে কারও জন্যই উঁচুমানের গুণ হিসেবে বিবেচিত হয়। কাঙ্ক্ষিত পুরু’ষের চরিত্রে না’রীরা এটা খোঁজেন। প্রাত্যহিক জীবনে এমনিতেই বহু ঝুট-ঝামেলা নিয়ে ত্যক্ত-বির’ক্ত হয়ে থাকার মতো যথেষ্টই কারণ থাকে না’রীদের। তাই একজন মনমরা টাইপ স’ঙ্গী তাঁদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা।

তাই নিজে হাসুন, তাঁর মুখেও হাসি ফোটাতবে খেয়াল রাখতে হবে ঠাট্টা-তামাশা করতে গিয়ে সব সময়ই অন্য কাউকে খাটো করা, আ’ঘাত করা মোটেই কাজের কথা না। অনেক না’রীই এটা রীতিমতো অপছন্দ করেন। আর যে পুরু’ষ হাসিমুখে নিজের ভু’ল স্বীকার করতে পারেন, নিজেকে নিজেই মশকরা করতে পারেন,

তাঁর প্রতি না’রীদের আকর্ষণ কতটা তীব্র সে বি’ষয়ে আমরা কিছু বলব না, আপনি নিজেই তা পরীক্ষা করে দেখু’ন।

৪) তাঁকে বুঝতে দিন যে আপনি যত্নবান:
না’রীরা সব সময়ই বারবারই এটা নিশ্চিত হতে চান যে তাঁকে কেউ ভালোবাসছেন, তাঁর খেয়াল রাখছেন। তাঁর হাত ধরে হাঁটা, সুযোগ পেলে একস’ঙ্গে সূর্যাস্ত দেখা—হোক তা বারান্দায় দুই মিনিটের জন্য, মাঝেমধ্যেই জড়িয়ে ধরা, রাস্তা পেরোনোর সময় তাঁর খেয়াল রাখার মতো কাজগুলোকে মোটেই অবহেলা করবেন না। আপনার এসব ছোট ছোট অভ্যাস থেকে অনেক কিছুই বোঝা যায়। কখনো কখনো রাস্তায়, বেড়াতে গিয়ে সবার সামনে তাঁর হাত ধরে হাঁটা মানে আপনি তাঁকে নিয়ে গর্বিত। তবে এ চর্চা যেন হয় জড়তাহীন, সাবলীল আর আতিশয্য বর্জিত।

৫) ও চোখে চোখ পড়েছে:
যখনই তাঁর চোখে চোখ রেখে তাকান। মিষ্টি করে একবার হাসুন। ভালোবাসার চোখে সরাসরি তাঁর চোখে তাকালে একজন না’রী যে অনুভূতি পান তার তুলনা করা দুষ্কর। আপনার ওই চাহনিতে নিজেকে লাখে একজন মনে হতে পারে তাঁর। আর মাঝেমধ্যেই চোখে চোখ রেখে তাকানোটা জরুরি। কেননা, অনেক কথায় যা হয় না, চোখের ভাষায় সেটা বলা হয়ে যেতে পারে।

আরো জানুন আপনার সম্প’র্ক কি নিরাপদ? প্রেম কখনও পরিণতি পায়। আবার কখনও ভে’ঙে যায়। তবে অনেক সময় একটা ভু’ল সম্প’র্কে আ’টকে থাকাই বড় স’মস্যার সৃষ্টি করে। প্রেমের ক্ষেত্রে স’ঙ্গীর আচরণ আমাদের মা’নসিকভাবে অবসন্ন করে। কিন্তু অনেক সময়েই সম্প’র্কে স’মস্যার আসল কারণটা খুঁজে বের করা অসম্ভব মনে হয়।

এক্ষেত্রে মাত্র তিনটি লক্ষণ জেনেই আপনি বুঝতে পারবেন, আপনার সম্প’র্ক কতটা নিরাপদ।
১. আপনার মনের কথা আপনি বলেন না বা বলতে পারেন না
আপনার মনের কথা বলার থেকে বারবার যদি আপনাকে পিছপা হতে হয় তবে বুঝবেন নিশ্চয়ই কোনো স’মস্যা আছে। সম্প’র্কের ক্ষেত্রে আপনার স’ঙ্গী আপনার নিরাপদ আশ্রয় হওয়া উচিত। যেখানে আপনি নির্দ্বিধায় মনের কথা বলতে পারেন। কিন্তু আপনাকে সে বুঝবে না এই ভেবে যদি আপনি পিছিয়ে আসেন। অথবা আপনার কথায় ঝ’গড়া-অশান্তি হবে এই ভ’য়ে যদি আপনি সব সময় ব্যতিব্যস্ত হোন। তাহলে বুঝবেন, আপনি ভু’ল মানুষের স’ঙ্গে রয়েছেন। প্রত্যেকটা মজবুত সম্প’র্কের ভিত হল বিশ্বাস।

২. প্রতি মুহূর্তে আপনি নিজেকে প্রশ্ন করে চলেছেন
আপনি জীবনের এমন একটা পর্যায় চলে গেছেন যেখানে আপনি নিজের প্রতিটা কাজের জন্য নিজেকে প্রশ্ন করেন। অবস্থাটা এমনই যখন আপনি সম্প’র্কের প্রতিটা স’মস্যার জন্য নিজেকে দোষারোপ করেন। এক্ষেত্রে স’মস্যা অত্যন্ত গু’রুতর। আর তাই আপনার উচিত এবার সময় নিয়ে ভেবে দেখে সম্প’র্কটা শেষ করা।

৩. আপনি বির’ক্ত
আপনি কি আপনার স’ঙ্গীর স’ঙ্গে থাকতে বির’ক্ত হয়ে যাচ্ছেন? সে আশপাশে থাকলেই আপনার বির’ক্তি লাগে? তার স’ঙ্গে সময় কা’টানোর থেকে আপনার একা থাকতে ভালো লাগে? এমন হলে আপনাদের একস’ঙ্গে বসে কথা বলুন এবং এই বি’ষয়ে মীমাংসা করুন। আর আপনার যদি নিজের স’ঙ্গীর স’ঙ্গে কথা বলার ই’চ্ছাটুকুও না থাকে তবে আপনার সত্যিই এই বি’ষয়টা নিয়ে ভেবে দেখা প্রয়োজন। প্রয়োজনে সম্প’র্কটা শেষ করে দিন। কারণ জীবনটা অনেক বড়। চিরকাল তো আর আপনি বির’ক্ত হতে পারেন না!