বেশ কিছু রোহিঙ্গা দেশি-বিদেশি অবৈধ অস্ত্রের মজুদ গড়ে তুলেছে : র‌্যাব

র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ বলেন, ইয়াবা ব্যবসা, ডাকাতি ও লুটপাট করে প্রচুর অর্থ সংগ্রহের মাধ্যমে বেশ কিছু রোহিঙ্গা দেশি-বিদেশি অবৈধ অস্ত্রের মজুদ গড়ে তুলেছে। এরা এখন সাধারণ রোহিঙ্গা এবং স্থানীয়দের কাছে মূর্তিমান আতঙ্ক। তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ বিভিন্ন বাড়ি-ঘরে ডাকাতি করছে।

আজ সোমবার (২ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কক্সবাজারে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ বলেন, টেকনাফ এলাকার রোহিঙ্গা জকির ডাকাত গ্রুপকে ধরার জন্য দীর্ঘদিন ধরে কঠোর পরিশ্রম করে আসছে র‌্যাব। এর ধারাবাহিকতায় টেকনাফের জাদিমুড়া মোচনীর গভীর পাহাড়ে অভিযান পরিচালনা করলে জাকির ডাকাতের আস্তানার সন্ধান পায় র‌্যাব। পরবর্তীতে আস্তানা ঘেরাও করলে জকির ডাকাতের সশস্ত্র বাহিনী র‌্যাবের উপর এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়তে থাকে। র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। এসময় র‌্যাব এবং ডাকাত জকির বাহিনীর মধ্যে অন্তত ৪ ঘণ্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল থেকে ৭ রোহিঙ্গা ডাকাতের মরদেহ উদ্ধার করে গেলেও জীবিত দুইজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

তিনি বলেন, টেকনাফের শালবন ক্যাম্পে বর্তমানে ডাকাত জকির গ্রুপ ও ডাকাত সালমান শাহ গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। তাদের কাছে প্রচুর অবৈধ অস্ত্র রয়েছে। এবং র‌্যাব আগামীতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং ডাকাতদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রাখবে।

এদিকে, টেকনাফে র‌্যাবের অভিযানে নিহত সাত রোহিঙ্গা ডাকাতের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- ডাকাত ফারুক (৩৫), ডাকাত নুর হোসেন প্রকাশ নুরাইয়া (৩৫), ডাকাত মো. ইমরান (২২), ডাকাত আলী হোসেন (৩০)।

নিহতরা সবাই টেকনাফের শালবন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। তাদের মরদেহ সন্ধ্যায় কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে নেয়ার পর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়।