বেহুদা আইনের ফেঁসে গেলেন মোদি

যদিও ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একাধিকবার জানিয়েছে, ২০১১ ও ২০১৫ সালের জাতীয় জনগণনাপঞ্জি প্রক্রিয়ার পরে দেওয়া পরিচয়পত্র যাদের কাছে নেই তারা ‘ভারতীয়’ নন

নাগরিকত্বের কোনও কাগজপত্র নেই খোদ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর, তবে জন্মসূত্রেই তিনি ভারতীয়! তথ্য অধিকার আইনে (আরটিআই) মোদীর নাগরিকত্ব নিয়ে একব্যক্তির প্রশ্নের জবাবে এমনই জানিয়েছে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দফতর (পিএমও)। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানাচ্ছে সেখবর।

চলতিবছরের ১৭ জানুয়ারি শুভঙ্কর সরকার নামে একব্যক্তি আরটিআই-এর মাধ্যমে জানতে চান প্রধানমন্ত্রীর নিজের নাগরিকত্বের কাগজপত্র রয়েছে কি না। তারই জবাবে পিএমও-র সচিব প্রবীণ কুমার জানান, ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী জন্মসূত্রেই ভারতীয়।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) নিয়ে দেশজুড়ে বিক্ষোভের মধ্যেই এই তথ্য চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে রাজনৈতিক মহলে। বিশেষত, আসামে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) তৈরির পরে বহু মানুষ নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ হয়ে “ডিটেনশন” শিবিরে ঠাঁই পেয়েছেন। প্রশ্ন উঠেছে, এরপরে নাগরিকত্বের নথি চাওয়া হলে আমজনতাও যদি জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের দাবি তোলে, তখন সেটা কি মানা হবে?

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর আগে একাধিকবার জানিয়েছে, ২০১১ ও ২০১৫ সালের জাতীয় জনগণনাপঞ্জি প্রক্রিয়ার পরে দেওয়া পরিচয়পত্র যাদের কাছে নেই তারা নাগরিক নন। দেশটির নাগরিকদের একটি বড় অংশের কাছেই সেই পরিচয়পত্র নেই।

এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতের বিরোধীদলগুলো প্রশ্ন তুলেছে, তবে বিজেপি কাদের ভোটে নির্বাচিত হলো? যদিও তার কোনও জবাব দেয়নি নরেন্দ্র মোদী সরকার!