ল্যাপটপ ও পরীক্ষার সনদপত্রসহ হরিয়ে ফেলে ব্যাগ, মাত্র ২৪ ঘন্টা ২৭ মিনিটে কেস ক্লোসড, এ যেন সিনেমার গল্পকে হার মানায়

সম্পুর্ন লেখা Mohammad Golam Kibrea ওয়াল থেকে নেওয়া।

কিভাবে হারিয়ে যায় তা নিয়ে পূর্বের পোস্টঃ

ল্যাপটপ ও পরীক্ষার সনদপত্রসহ একটি ব্যাগ সেন্ট্রাল লাইন (ব্রাদার্স পরিবহন) এ ভুলে ফেলে আসছি।

গত ২০শে ফেব্রুয়ারি রাত ৮:২৫ মিনিটে চাঁদ উদ্যান থেকে গাবতলি যাওয়ার উদ্দেশ্য সেন্ট্রাল লাইন পরিবহনে উঠি। রাত ৮:৫০মিনিটে দ্বীপ নগর আল মদিনার কাছে আসার সময় হেলপার বলে, “বাস আর যাবে না, আপনারা নেমে যান। আপনাদেরকে অন্য একটি বাসে উঠিয়ে দিচ্ছি।”

এরপর আমি সবার শেষে বাস থেকে নামি। আমার দুই হাতে দুইটা ব্যাগ এবং কাঁধে একটা ব্যাগ ছিল। কাঁধের ব্যাগটি ভুলে বাসে ফেলে নেমে যাই। ২-৩মিনিট পরেই আমার ব্যাগের কথা মনে হয়। কিন্তু ফিরে গিয়ে আর বাসটিকে পাওয়া যায় নি। ওই বাস থেকে নামার পর আমি আর কোথাও দাঁড়াই নি এবং অন্য কোন বাসেও উঠি নি।

কাঁধের ব্যাগে নতুন ল্যাপটপ, সকল পরীক্ষার অরিজিনাল সনদপত্র, এডমিট কার্ড, রেজিস্ট্রেশন কার্ড, ছাড়পত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র, স্টুডেন্ট আইডি কার্ড, ট্রেনিং সার্টিফিকেট, কিছু টাকা এবং জামাকাপড় ছিল।

বিসিক এ আমার ২৫তারিখ ভাইবা আছে। আজকে বিসিকে কাগজপত্র জমা দিতে এসেছি। ২৫তারিখের ভাইবা দেয়ার জন্য একবারে রেডি হয়ে চট্টগ্রাম থেকে আসছি। তাই সব অরিজিনাল কাগজপত্র সাথে ছিল এবং অফিসের কাজগুলো করার জন্য সাথে ল্যাপটপ নিয়ে এসেছি।

সেই রাত ৯টা থেকে এখন পর্যন্ত তন্নতন্ন করে খুঁজছি। কিন্তু সেই সেন্ট্রাল লাইন বাসটিকে খুঁজে পাই নি। জিডি এখনো করি নাই। কালকে করতে চাচ্ছি। এই গ্রুপের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

মাত্র ২৪ ঘন্টা ২৭ মিনিটে কেস ক্লোসড☺ব্যাগ পাওয়া পরে পোস্ট!

ব্যাগ হারিয়ে যাওয়ার পর পরই গাবতলি চলে যাই। গাবতলি গিয়ে গাবতলি পুলিশ বক্সে আমার হাতের ব্যাগ দুটি রাখি এবং ওখানে থাকা পুুলিশ ভাইদের সাথে ঘটনাটি শেয়ার করি। তাদের কথা মতে জিডি করেও লাভ নাই। এ ব্যাগ আর পাওয়া যাবে না। তারপর কয়েকটা কটু কথা শুনালো। তারপরেও ভেঙ্গে পড়ি নি।

এরপর সরাসরি চলে গেলাম বাস মালিকের অফিসের খোঁজে। পর্বত সিনেমা হলের সামনে গিয়ে প্রত্যয়ের খোঁজ পেলেও সেন্ট্রাল লাইনের অফিস খুঁজে পেলাম না। পরবর্তীতে জানতে পারলাম, তাদের কোন অফিসই নেই।

এতটুকু বলে রাখা ভাল আমি কোন বাসে উঠেছিলাম সেটা আমি নিজেই জানতাম না। একটু তাড়াহুড়োর মধ্যে ছিলাম বলে বাসে উঠার সময় বাসের নামটাই খেয়াল করলাম না, আবার বাসের নম্বর মনে রাখব! সত্যিই হাইস্যকর! তাই প্রত্যয়ের অফিসে গিয়ে প্রত্যয়ের সকল বাসে খোঁজ লাগাতে বললাম। আমার কথার গুরুত্ব দিয়ে একের পর এক কল দিয়ে খোঁজ নিতে থাকলেন।

আমি ওনাকে খোঁজ করতে বলে আমি বসে থাকি নি। আমি এরপর গোল্ডেন লাইনের এক পরিচিত ইনচার্জ ভাইয়ের কাছে গেলাম। ওনাকে সব ঘটনা খুলে বললাম। উনি এসে সেন্ট্রাল লাইনের লাইনম্যানের নম্বর কালেক্ট করে দিলেন এবং প্রত্যয়ের অফিসেও একটু নক দিয়ে চলে গেলেন।

এরপর প্রত্যয়ের অফিস থেকে এক ড্রাইভার ভাইকে সাথে নিয়ে তার বাস নিয়ে বের হলাম খোঁজ করার জন্য। চলে গেলাম সেই দ্বীপ নগরে যেখান থেকে ব্যাগ হারাইছি। দ্বীপনগরের আশেপাশের গ্যারেজগুলোতে খোঁজ নিলাম। ওখানে গিয়ে একজন প্রত্যক্ষদর্শীকে পেলাম। ছোট্ট একটা ছেলে বয়স বেশি হলে ১০বছর হবে।

-ভাইয়া আমি তো আপনাকে চিনি। আপনি না কয়েকঘন্টা আগে বাস থেকে নেমে চলে গেলেন। হেলপারের সাথে আপনাদের ঝামেলা হয়েছিল ভাড়া নিয়ে।
-জ্বি ভাই। ভাই বলতে পারো ওটা কোন বাস ছিল?
-সেন্ট্রাল লাইনের ছোট বাস ছিল।
-ছোট কিভাবে? বড় বাস ছিল।
-ভাই আমি ১০০% শিউর। আমি ভুল হবে না। সেন্ট্রাল লাইনে আমি চাকরি করি।

এরপর ওকে আমার নম্বরটা লিখে দিয়ে চলে আসতে চাইলাম বাসটার খোঁজ পেলে আমাকে জানানোর জন্য। কিন্তু ও বাসের খোঁজ করার জন্য আমার সাথে চলে আসল। এরপর ওকে নিয়ে দ্বীপনগর থেকে বুদ্ধিজীবী রোড পর্যন্ত যতগুলো গাড়ি পার্ক করা ছিল সবগুলো গাড়িকে পর্যবেক্ষণ করলাম। কিন্তু আমার সেই গাড়িটিকে খুঁজে পেলাম না। রাত বেশি হওয়ায় খোঁজাখুঁজি বন্ধ করে ওকে দ্বীপনগর নামিয়ে দিয়ে আমি পুলিশ বক্স থেকে আমার হাত ব্যাগ দুটি নিয়ে বাসায় চলে আসলাম। আর ধূলোবালিতে চুল সাদা হয়ে গিয়েছিল। রাত ১:৩০টায় বাসায় এসে না খেয়ে পুরো শরীরে ব্যাথা আর যন্ত্রণা নিয়ে ফেইসবুকে পোস্ট করে ঘুমিয়ে পড়লাম।

পরদিন মানে ২১তারিখ সকাল ৮টায় ঘুম থেকে উঠে হালকা নাস্তা করে বের হলাম। আর চিন্তা করতে থাকলাম কি করব! গতকালকেও পরিচিত কেউ সাথে ছিল না, আজকেও না। আপনাদের কমেন্টগুলো পড়ে সিদ্ধান্ত নিলাম জিডি করব। আর জিডি তো এমনিতেই করতে হবে আর না হয় কাল কাগজপত্র উঠানোর জন্য। তাই আর দেরী না করে দারুস সালাম থানায় চলে গেলাম। দায়িত্বরত অফিসার জিডির কপি রেডি করে আমাকে সবকিছু বুঝিয়ে দিলেন। আমাকে কোনো কিছু করতে হয় নি। উনিই সবকিছু করেছেন। পরে যেহেতু শিউর হয়েছি ওটা সেন্ট্রাল লাইন ছিল তাই জিডিতে শুধু সেন্ট্রাল লাইনের কথাই উল্লেখ করেছি। আমাকে জিডির দায়িত্ব যে পুলিশ অফিসারকে দিলেন ওনাকে কল করার ৫মিনিটের মধ্যে গাড়ি নিয়ে হাজির।

– এদিকে আসেন, গাড়িতে উঠেন।

শুনেও না শুনার ভান করলাম। আমি ভাবছি অন্য কোন কারণে আমাকে গাড়িতে উঠতে বলতেছে। জিডি করার সাথে সাথেই কাজ শুরু করে দিবে ভাবতে পারি নি।

(আমাকে লক্ষ্য করে আবার)
– তাড়াতাড়ি গাড়িতে উঠে বসুন।

ভয়েভয়ে গাড়িতে উঠে বসলাম। এরপর নামের দিকে তাকাতেই দেখলাম এ তো দেখি আমার জিডির দায়িত্বে থাকা অফিসার। আমাকে কিভাবে চিনল বুঝতেই পারলাম না।

এরপর গাড়ি নিয়ে আবার সেই পর্বতের সামনে গেলাম। গাড়ি থেকে নেমে সেন্ট্রাল লাইনের লাইনম্যানদের ভাল করে বুঝিয়ে দিলেন। এরপর তারা কিছুক্ষণ বসে আমাকে পর্বতের ওখানে দাঁড়িয়ে বাসগুলো পর্যবেক্ষণ করতে বলে চলে গেলেন। আমি ১ঘন্টা দাঁড়ানোর পরও বাসটির খোঁজ পেলাম না। বাসটি তো আর চিনব না। হেলপারটাকে খুঁজতেছি। কিন্তু তাকে পেলাম না।

আর দাঁড়িয়ে না থেকে লাইনম্যানকে বলে আবার দ্বীপনগর গেলাম। দ্বীপনগর গিয়ে সেই বাচ্চাটিকে খুঁজতে থাকলাম। কিন্তু ওই বাচ্চাটির কোন খোঁজ পেলাম না। আজব। কেউ বাচ্চাটিকে চিনেও না। খুঁজে না পেয়ে আবার গবাতলি চলে গেলাম। গাবতলি গিয়ে ১৫০কপি হারানো বিজ্ঞপ্তি প্রিন্ট করলাম। ওগুলো প্রিন্ট করে এনে ৩০মিনিট ধরে সেন্ট্রাল লাইনের বাসের ড্রাইভার ও হেলপারদেরকে বিলি করলাম। দেয়ালে কিছু লাগালাম। বাকি প্রায় ১০০কপির মত ছিল ওগুলো লাইনম্যানকে ধরিয়ে দিয়ে আসলাম সব বাসে একটা করে দেয়ার জন্য।

তো আপনারা কি মনে করছেন? একটু রেস্ট নেয়ার জন্য কাগজগুলো তাকে ধরিয়ে দিয়েছি? এটা ভেবে থাকলে ভুল ভাবলেন!

লাইনম্যানকে ওগুলো বুঝিয়ে দিয়ে আমি সেন্ট্রাল লাইনের একটা বাসে করে বাবুবাজারের উদ্দেশ্য রওয়ানা হলাম। বাবুবাজার যেতে যেতে দুইদিকে চোঁখ বুলাতে লাগলাম। হাজারীবাগ গিয়ে হাতের ডান দিকে একটা সেন্ট্রাল লাইনের বাস দেখলাম। ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করলাম,

-এটা বন্ধ কেন? চলে না কেন?
-তা তো জানি না। এটাকে তো সকাল থেকে এরকমই দেখতেছি।

আমার একটু সন্দেহ হওয়ায় বাস থেকে নেমে বাসটিকে পর্যবেক্ষণ করলাম। কিছু ছবি তুলে নিলাম। এরপর আবার প্রত্যয়ের বাসে করে বাবুবাজার গেলাম। ওখানে গিয়েও সেন্ট্রাল লাইনের লাইনম্যানকে সব ঘটনা বললাম। আর খোঁজ নিতে বললাম। আর ওই বাসটার খোঁজ নিলাম। তাদের থেকে জানতে পারলাম ওটার খোঁজ বেড়িবাঁধ তিন রাস্তার মোড় গেলে জানতে পারব।

এরপর ওখান থেকে ব্যাক করে বেড়িবাঁধ তিন রাস্তার মোড় আসলাম। এখানে এসে এখানকার লাইনম্যানের থেকে ওই সন্দেহ করা বাসের মালিকের নম্বর নিলাম। নম্বর নিয়ে কল দিলাম। প্রথমবার কল রিসিভ করে আমার কথা শুনলেও পরে আর কল রিসিভ করে নাই।

-আপনি এত নম্বরের বাসটিকে চিনেন?
-হ্যাঁ চিনি।
-তাহলে ওই বাসের ড্রাইভার ‘x’ এর নম্বরটা দিন।
-কেন কি হয়েছে?

এই এতটুকুই কথা। এরপর কল কেটে দেয়। এরপর আর কল করে পাওয়া যায় নি। তাই সন্দেহের পরিমাণটা আরও বেশি বেড়ে যায়।

এরপর আমি আবার গাবতলি গেলাম। গিয়ে ওখানের লাইনম্যানকে এই ব্যাপারে জানালাম। আর বললাম, “এই নম্বরের বাসটির ড্রাইভার আর হেলপারকে আগামীকালকের মধ্যে দেখতে চাই।”

আমার যেহেতু ২৫তারিখ ভাইবা, তাই কাগজপত্র আবার রেডি করার জন্য গাবতলি থেকে সন্ধ্যা ৭টার হানিফ পরিবহনের বাসে করে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্য রওয়ানা দেই। ৯:১৭ তে একটা কল আসে। কল করে জানানো হয় একটা ব্যাগ পাওয়া গেছে, তাড়াতাড়ি গাবতলি চলে আসুন।

তো আমি প্রায় সাইনবোর্ড চলে গেছিলাম। বাস থেকে নেমে উবারে করে গাবতলি গিয়ে ওই নম্বরে কল দিলাম।

-আপনার সাথে কেউ আছে?
-না, আমার সাথে কেউ নেই।
-সাথে কেউ থাকলে আসার দরকার নেই। একা আসলে ব্যাগ ফেরত দিতে পারব। সাথে কাউকে নিয়ে আসলে ব্যাগ দেয়া সম্ভব হবে না। আর কাউকে জানাবেনও না।
-আচ্ছা ঠিক আছে। কাউকেই সাথে আনবো না।
-এই এড্রেসে চলে আসেন।
-আপনি না বললেন গাবতলি। এটা আবার কোথায়?
-রিক্সা নিয়ে চলে আসেন।

একথা শুনে তো বড় চিন্তায় পড়ে গেলাম।

আব্বুকে জানানোর পর তো আমাকে যেতেই দিবে না। বলে, সব গেলে যাক, কিছু লাগবে না, তুই যাইস না। ওদিকে আম্মু তো কান্না করে দিছে।

তারপরেও সাহস নিয়ে চলে গেলাম। মোবাইলে ৯৯৯নম্বরটা ডায়ালে রাখলাম। আর আব্বুকে আমাকে ট্রাকে রাখতে বললাম। মোবাইল নম্বর বন্ধ পেলেই সাথে সাথেই পুলিশকে জানাতে বললাম।

সেই জায়গায় গিয়ে তাকে কল দিলাম। তিনি আসলেন। আমাকে রিসিভ করলেন। হাঁটিয়ে ৩০০মিটার ভিতরে নিয়ে গেলেন। যেতে যেতে কয়েকজনকে কল দিলেন। এরপর একটা পুরনো বিল্ডিং এর তিন তলায় নিয়ে গেলেন। বাইরে থেকে আরও দুজন আসল। এরপর তিনি তার বাসায় নিয়ে ডুকালেন। বসালেন, বসলাম। কথাবার্তা চলতে থাকল। এরপর আমাকে ভেরিফাই করলেন। সবশেষে আমার ব্যাগ আমাকে বুঝিয়ে দিলেন। ব্যাগ খুলে দেখলাম সবকিছু ঠিকমত আছে। আলহামদুলিল্লাহ্‌।

“প্রথমে ব্যাগটি ফেরত দিতে চাই নি। কিন্তু যখন দেখলাম ব্যাগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার কাগজপত্র আছে। আর ল্যাপটপ আপনি কিনতে পারলেও এই কাগজগুলোর জন্য অনেক কষ্ট করতে হবে। তাই ফেরত দিলাম। রাতে যখন আমার ছেলের টিচার আসছিল ওনাকে দেখালাম, উনি খুঁজে আপনার নম্বরটা বের করল। এরপর আপনাকে কল দিলাম। ব্যাগটা সেন্ট্রাল লাইনের গ্যারেজে পেয়েছি। আজকাল উপকার করতে গিয়ে অনেকে বিপদে পড়ে। তাই কোন বিপদে না পড়ার জন্য আপনাকে একা আসতে বলেছি।”

আমি কিছু টাকা দিতে চেয়েছিলাম। নিতে অস্বীকৃতি জানালেন। এরপর অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকে কিছু একটা গিফট করতে চাইলাম তাও অস্বীকৃতি জানালেন। উল্টো আমাকে আপ্যায়ন করলেন। আমার চেহারার অবস্থা দেখে ডাক দিলেন। আমাকে ফ্রেশ হয়ে নিতে বললেন।

-আপনারা আমার থেকে যে কিছু নিলেন না তাতে আমার খুবই খারাপ লাগতেছে।
-আচ্ছা যখন কিছু দিতে মনে চাচ্ছে অন্যদিন কল করে আসবেন আর দুইকেজি মিষ্টি নিয়ে আসবেন😄

বিদায় নিয়ে চলে আসলাম। বিদায় নেয়ার সময় আমাকে বাসায় গিয়ে দুই রাকআত নামাজ আদায় করে নিতে বললেন।

গাবতলির মানুষগুলো সত্যিই অনেক ভাল। সবাই আমার জন্য নিঃস্বার্থে কাজ করে গেছেন। ছোট দেখে কোনরূপ অবজ্ঞা করেন নি।

আজ ২২ফেব্রুয়ারি সকালে থানায় গিয়ে জিডি ক্লোসড করলাম। গাবতলি গিয়ে সবাইকে ধন্যবাদ জানালাম। লাগানো পোষ্টারগুলো ছিড়ে ফেলে চলে আসলাম।

আর ব্যাগ খুঁজতে খুঁজতে সাথে থাকা স্মার্টফোনটিও হারিয়ে ফেলছিলাম। সেটিও খুঁজে পেয়েছি।

গাবতলিবাসীর কাছে চিরঋণী হয়ে রইলাম।

❤❤❤ধন্যবাদ গাবতলিবাসী❤❤❤

(সংক্ষেপিত)

অরিজিনাল পোস্টঃ